সর্বমিত্রের সাথে সংহতি

Discussion/আলোচনা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন ভবঘুরে এবং বহিরাগত নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ এটা কোনো সিক্রেট না। ইন্টেরিমের বসানো এই প্রশাসন মোটামুটি সবকিছুই নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যর্থ। এখানে তাদের অ্যাপ্রোচ হচ্ছে, "দেখেন যা ভালো মনে করেন"। সেই হিসেবে ডাকসুতে নির্বাচিত হয়ে সর্বমিত্রের অ্যাকশন খারাপ না। তবে অ্যাকশন যেভাবে নেয়া হয়েছে সেটা আইনানুগ হয়নি।

প্রকাশ্যে বিড়ি সিগারেট বিক্রি করা যাবেনা, খাবারের দাম কন্ট্রোলে রাখতে হবে, ক্যান্টিনের খাবারের মান ভালো রাখতে হবে- এসব তো প্রশাসনেরই তদারকি করার কথা। ডাকসুর উচিৎ ছিলো তাদের জন্য এক্সট্রা পাঁচজন প্রক্টরিয়াল টিম মেম্বার নেয়া, যাদের কাজ হবে ডাকসু নেতাদের এমন সমস্যার বিপরীতে প্রশাসন কর্তৃক আইনানুগ ব্যবস্থা নিশ্চিত করা।

সর্বশেষ বহিরাগতদের খেলার মাঠে কান ধরে ওঠাবসা করানোর পর পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছে সর্বমিত্র চাকমা৷ তবে কানে ধরানোর অপরাধবোধ কিংবা সমালোচনার জন্য পদত্যাগ নয়, বরং প্রশাসনের এমন উদ্যোগ নিতে অনীহা তাকে পদত্যাগের দিকে ঠেলে দিয়েছে। বারবার ওয়ার্নিং দেয়ার পরেও বহিরাগতদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকে ফ্যাসিলিটিজ ব্যবহার আটকানো না গেলে আর যা-ই করণীয় হোক, কানে ধরানো সমাধান না এটুকু নিশ্চিত। কিন্তু এর সমাধান হিসেবে কিছু করার উদ্যোগ নেয়ার সাহস নাই এই নিজেদের সুশীলতায় রাখতে চাওয়া অন্তর্বর্তীকালীন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের।

সর্বমিত্র যেসব জায়গায় হাত দিয়েছে, সেসবের সমাধান করা আবশ্যক। এই উদ্যোগ ভুলভাবে নেয়ায় তাকে পদত্যাগ করতে দেখা হতাশাজনক।

Posted Jan 27, 2026, 11:33 AM UTC

08
Loading comments…